অলকের বড় প্রয়োজন ছিল জীবনে চলার পথে একজন প্রকৃত বন্ধু যে হতে পারত একটি বড় শক্তি, এবং তা একজন বিপরীত আকর্ষণ যে বেশি বেশি শক্তি যোগাতে পারত! খুব নিঃরবে অলক অপেক্ষায় ছিল একজন বন্ধুর সেই বন্ধুকে আরও জাগিয়ে তুলতে পারলে বিশ্বাসের উপর ভর করে তবে জীবনে সাফ্যল আসতে বাধ্য ছিল।
জীবনের অনেক সময় পারে এখন পড়ন্ত বেলায় অলক সৌভাগ্য ক্রমে একজন বন্ধু আপনা-আপনি পেয়েছে, তবে এটি আপনা-আপনি পাওয়া নয়। বহু জন থেকে, কোটি জন থেকে সন্মান দিয়ে অনেক প্রচেষ্টায় বর্ণিলাকে পাওয়া, সন্মান ও মর্যদা দিয়ে প্রতি নিঃশ্বাসের বলয়ে আবদ্ধ করে রাখা।
বর্ণিলা এখন প্রতি সময়ে, প্রতি ক্ষণে সে মাথায় থাকে, আর প্রায় ক্ষণে চোখের সামনে। মন ও মনন তাকে অনুসরণ করে তার চলাচল মনে প্রভাব ফেলে তারণ্যের প্রানোচ্ছ্বটায় অলকের জীবনকে সজীব করে প্রফুল্লতায় ভরিয়ে দিচ্ছে।
সেই বন্ধু বা সেই বর্ণিলা এখন অলকের জীবনের জীবনী শক্তি, অনন্তকাল বেঁচে থাকার বাসনায় ভরপুর। কৌশলে তাঁকে ধরে রাখা, চোখের সামনে রাখা, বিশ্বাসে তাঁকে রাখা এটাই এখন মূল বিষয় অথবা জীবন শুকিয়ে যায়, আশা সব মরে যায়।
যে বর্ণিলা এখন অলকের জীবনের তাপ, আলোক শিখা, আশা জাগানিয়া যার জন্য জীবনের অপূর্ণতাগুলি পূরণের মুখে, জীবনকে শান্ত রাখার প্রক্রিয়ায় বেঁধে রেখেছে সকল উন্নত কৌশলে তাঁকে উন্নত স্থান দেওয়া। তাই এখন থেকে অলক নিশ্চিত করবে জীবনের লক্ষ্য, সেই সাথে নিশ্চিত করবে জীবনের স্বপ্ন এবং সাফল্য যার কেন্দ্র বিন্দু অলকের তৈরী করা বর্ণিলা।
তারিখঃ মার্চ ১৮, ২০২১
চার বছর পার হলেও আজও বর্ণিলা তার ধারায় এগিয়ে চলেছে কর্মে, হাস্য উজ্জ্বতায়, অলোকের এখন ভাটার দিন শরীর মনে শক্তি স্বপ্ন আসে না, সব দিক দিয়ে সব কিছুই নিন্মমূখি। লাবণ্যে পোষাকে প্রফুল্লতায় সজীবতায় ছুটে চলেছে চিন্তাহীন একজন।
তারিখঃ মার্চ ১৮, ২০২৫
রেটিং করুনঃ ,